1. [email protected] : bijoy datta : bijoy datta
  2. [email protected] : বাংলারকন্ঠ : Anis বাংলারকন্ঠ
  3. [email protected] : SAIFUL : SAIFUL ISLAM
শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন

সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনে অপারগ ১৬ আর্থিক প্রতিষ্ঠান

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৯

দেশের আর্থিক খাতে চলছে নানা অনিয়ম। ঋণের নামে অর্থ লোপাট, বিদেশে অর্থ পাচারসহ নানা অনিয়মে জড়িয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ডুবতে বসেছে। এই সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশিত কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতায় (সিএসআর) অংশগ্রহণ করেছে দেশের অর্ধেকের বেশি আর্থিক প্রতিষ্ঠান। তবে ১৬ আর্থিক প্রতিষ্ঠান কোনো টাকা ব্যয় করতে পারেনি।

দেশে কার্যরত ৩৪টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৮টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) খাতে ব্যয় করেছে। অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে খাতটি প্রায় ধ্বংসের মুখে। নীতি নির্ধারকরও যেন চেয়ে চেয়ে সবকিছু দেখছেন। খুব শিগগির কার্যকরী পদক্ষেপ না নিলে আরও খারাপ সময় আসতে পারে বলে মত সংশ্লিষ্টদের।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা খাতে ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থা খুব করুণ। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ সমন্বিতভাবে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) ২৪০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা সিএসআর বাবদ ব্যয় করেছে। এর মধ্যে ব্যাংকসমূহ ২৩৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ মাত্র ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ব্যয় করেছে।

কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) বর্তমান বিশ্বে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সিএসআর হল এক ধরণের ব্যবসায়িক শিষ্টাচার বা রীতি যা সমাজের প্রতি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালনকে ব্যবসার নিয়মের মধ্যে অর্ন্তভুক্ত করে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পরিচালিত কার্যক্রমের ফলে উদ্ভূত নানারকম পরিবেশগত বিরূপ প্রভাব দূর এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে বিদ্যমান ক্ষোভ, অসমতা ও দারিদ্র্য কমানো সিএসআর-র উদ্দেশ্য।

দেশে কার্যরত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহে ২০০৮ সালের জুন মাস থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সিএসআর মূলধারাকে অন্তর্ভুক্ত করে সিএসআর কার্যক্রমে অর্থ ব্যয়ের দিক নির্দেশনা দেয়া হয়। তখন থেকে সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে বিভিন্ন খাতে লভ্যাংশের ২ শতাংশ ব্যয় করে আসছে দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো।

ব্যর্থ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো হল:

১. অগ্রণী এসএমই ফাইন্যান্সিং কোম্পানি লিমিটেড
২. বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড
৩. সিএপিএম ভেঞ্চার ক্যাপিটাল এন্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড
৪. এফএএস ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড
৫. ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেড
৬. ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড ইনফ্রাস্ট্রাক্চার ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড
৭. ইসলামিক ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড
৮. লংকান অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেড
৯. মেরিডিয়ান ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড
১০. ন্যাশনাল ফাইন্যান্স লিমিটেড
১১. ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড
১২. পিপলস লিজিং এন্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড
১৩. প্রিমিয়ার লিজিং এন্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড
১৪. রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেড
১৫. ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং
১৬. ইউনাইটেড ফাইন্যান্স লিমিটেড।

উল্লেখ, আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে না পারায় অবসায়ন (লিকুইডেশন) করা হচ্ছে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড। ১৯৯৭ সালে চালু হওয়া কোম্পানিটি থেকে টাকা ফেরত পেতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন আমানতকারীরা। অবসায়ন প্রক্রিয়া শেষ হতে এবং টাকা ফেরত পেতে কতদিন সময় লাগবে তা এখনও অজানা।

শেয়ারবার্তা / মিলন

ফেসবুকের মাধ্যমে আপনার মতামত জানান:

ভালো লাগলে শেয়ার করবেন...

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ