1. [email protected] : বাংলার কন্ঠ প্রতিবেদক : বাংলার কন্ঠ প্রতিবেদক
  2. [email protected] : বাংলারকন্ঠ : বাংলারকন্ঠ
  3. [email protected] : বাংলারকন্ঠ.কম : বাংলারকন্ঠ.কম
রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০৬:১০ অপরাহ্ন

সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ দরে টিকতে পারেনি ১৫ কোম্পানি

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২ জুন, ২০২১
  • ২৮ বার দেখা হয়েছে
Circuit-Breaker-

আগেরদিন মঙ্গলবার (০১ জুন) বীমা খাতের শেয়ারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় আজ (বুধবার) লেনদেনের প্রথম প্রহরে অন্তুত ১৫টি বীমার শেয়ার সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ প্রান্ত সীমায় লেনদেন হয়। এর মধ্যে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার বিক্রেতা সংকটে পড়ে হল্টেড হয়ে যায়।

সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ দরে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ছিল-এশিয়া প্যাসেফিক ইন্সুরেন্স, ডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্স, সোনারবাংলা ইন্সুরেন্স, স্ট্যান্ডার্ড ইন্সুরেন্স, মার্কেন্টাইল ইন্সুরেন্স, রিলায়েন্স ইন্সুরেন্স, প্রগতি ইন্সুরেন্স, প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্স, রূপালী ইন্সুরেন্স, পূরবী ইন্সুরেন্স, প্রাইম লাইফ, পপুলার লাইফ, ফিনিক্স ইন্সুরেন্স, জনতা ইন্সুরেন্স ও ফেডারেল ইন্সুরেন্স।

এছাড়াও, আরও কয়েকটি বীমার শেয়ার লেনদেনের প্রথমভাগে সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ দরের কাছাকাছি লেনদেন হয়। কোম্পানিগুলোর মধ্যে ছিল ঢাকা ইন্সুরেন্স, ক্রিস্টাল ইন্সুরেন্স, ইস্টল্যান্ড ইন্সুরেন্স। কিন্তু কোম্পানিগুলোর দর দিনশেষে অনেক নেমে যায়। যদিও সবগুলোর শেয়ার দর আগেরদিনের চেয়ে অনেক বেশিতে ক্লোজ হয়।

কিন্ত বেলা বাড়ার সাথে সাথে সেল কোম্পানিগুলোর লেনদেন চিত্র পাল্টে যায়। বেলা সাড়ে এগারোটার পর কোম্পানিগুলোর শেয়ারে সেল প্রেসার বেড়ে যায়। তখন কোম্পানিগুলোর শেয়ার দর নামতে থাকে। লেনদেনর শেষ পর্যায়ে রূপালী ইন্সুরেন্স, ডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্স ও ফিনিক্স ইন্সুরেন্স দর ধরে রাখতে পারলেও সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ দরে টিকে থাকতে পারেনি।

অন্যদিকে, এশিয়া প্যাসেফিক ইন্সুরেন্স, সোনারবাংলা ইন্সুরেন্স, স্ট্যান্ডার্ড ইন্সুরেন্স, মার্কেন্টাইল ইন্সুরেন্স, রিলায়েন্স ইন্সুরেন্স, প্রগতি ইন্সুরেন্স, প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্স, পূরবী ইন্সুরেন্স, প্রাইম লাইফ, পপুলার লাইফ, জনতা ইন্সুরেন্স ও ফেডারেল ইন্সুরেন্সের শেয়ার দর অনেক পড়ে যায়। কয়েকটির দর আগের দিনের নিচে নেমে যায়।

রূপালী ইন্সুরেন্স: কোম্পানিটি আজ লেনদেনের প্রথমদিকে ৪৫.৯ টাকায় বিক্রেতাশুন্য হয়ে যায়। লেনদেনের শেষ পর্যন্ত দর ঠিক থাকলেও বিক্রেতাশুন্য ছিল না। আগেরদিন ক্লোজিং প্রাইস ছিল ৪১ টাকা ৮০ পয়সা। আজ ৯.৫৬ শতাংশ দর বেড়ে ৪৫.৮০ টাকায় লেনদেন শেষ হয়।

ডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্স: কোম্পানিটি আজ লেনদেনের এক পর্যায়ে ১১৪.৮০ টাকায় বিক্রেতাশুন্য থাকে। লেনদেনের শেষ দিকে কিছুটা দর হারায়। আগেরদিন ক্লোজিং প্রাইস ছিল ১০৪ টাকা ৪০ পয়সা। আজ আগেরদিনের থেকে ৮.১৪ শতাংশ দর বেড়ে ১১২ টাকা ৯০ পয়সায় ক্লোজিং হয়।

ফিনিক্স ইন্সুরেন্স: কোম্পানিটি আজ লেনদেনের এক ঘন্টার মধ্যে ৭০ টাকা ২০ পয়সায় বিক্রেতাশুন্য হয়ে পড়ে। তবে লেনদেনের শেষ দিকে কিছুটা দর হারায়। আগেরদিন ক্লোজিং প্রাইস ছিল ৬৩ টাকা ৯০ পয়সা। আজ ৭.৯৮ শতাংশ দর বেড়ে ৬৯ টাকায় লেনদেন শেষ হয়।

এশিয়া প্যাসিফিক ইন্সুরেন্স: কোম্পানিটি আজ লেনদেনের শুরুতেই ৭৪.৯ টাকায় বিক্রেতাশুন্য হয়ে যায়। এমন অবস্থায় প্রায় আধা ঘন্টা স্থির থাকে। এরপর দর হারাতে থাকে। আগেরদিন ক্লোজিং প্রাইস ছিল ৬৮ টাকা ১০ পয়সা। আজ ৩.৮২ শতাংশ দর বেড়ে ৭০.৭০ টাকায় লেনদেন শেষ হয়।

স্ট্যান্ডার্ড ইন্সুরেন্স: কোম্পানিটি আজ লেনদেনের দেড় ঘন্টার মধ্যে ৬৫ টাকা ৩০ পয়সায় বিক্রেতাশুন্য হয়ে পড়ে। তবে কিছুক্ষণ পরই দর হারাতে থাকে। আগেরদিন ক্লোজিং প্রাইস ছিল ৫৯ টাকা ৭০ পয়সা। আজ ৪.০২ শতাংশ দর বেড়ে ৬২ টাক ১০ পয়সায় লেনদেন শেষ হয়।

রিলায়েন্স ইন্সুরেন্স: কোম্পানিটি আজ ৮৬ টাকা ২০ পয়সায় টাকায় বিক্রেতাশুন্য হলেও লেনদেনের শেষ দিকে দর হারায়। আগেরদিন ক্লোজিং প্রাইস ৭৮ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ৭.০২ শতাংশ দর বেড়ে ৮৩ টাকা ৯০ পয়সায় লেনদেন শেষ হয়।

প্রগতি ইন্সুরেন্স: কোম্পানিটি আজ ১০৮ টাকা ২০ পয়সায় বিক্রেতাশুন্য হলেও লেনদেনের শেষ দিকে দর হারায়। আগেরদিন ক্লোজিং প্রাইস ৯৮ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ২.৫৩ শতাংশ দর বেড়ে ১০১ টাকা ৪০ পয়সায় দিনের লেনদেন শেষ করে।

প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্স: কোম্পানিটি আজ ১০৮ টাকা ৫০ পয়সায় বিক্রেতাশুন্য হলেও লেনদেনের শেষ দিকে দর হারায়। আগেরদিনের ক্লোজিং প্রাইস ১০৩ টাকা ১০ পয়সা থেকে ৫.২৪ শতাংশ দর বেড়ে ১০৮ টাকা ৫০ পয়সায় কোম্পানিটির দিনের লেনদেন শেষ হয়।

এভাবে মার্কেন্টাইল ইন্সুরেন্স, পূরবী ইন্সুরেন্স, প্রাইম লাইফ, পপুলার লাইফ, ফিনিক্স ইন্সুরেন্স, জনতা ইন্সুরেন্স ও ফেডারেল ইন্সুরেন্স লেনদেনের প্রথম ভাগে সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ দরে লেনদেন হয়। কিন্তু দিনশেষে ক্লোজিং দর হয় সার্কিট ব্রেকার দরের অনেক নিচে। কোম্পানিগুলোর শেয়ারে সেল প্রেসার বেশি থাকাতে সর্বোচ্চ দরে স্থির থাকতে পারেনি।

শেয়ার দিয়ে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ